নিচে তার বক্তব্যের মূল অংশগুলো তুলে ধরা হলো:
নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ
মিল্টন বৈদ্য সরাসরি অভিযোগ করেন যে, নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করার জন্য একটি মহল সক্রিয় রয়েছে। তিনি বলেন:
পরিকল্পিত সহিংসতা: কুচক্রী মহল নির্দিষ্ট কিছু ভোটকেন্দ্রে ভয়ভীতি প্রদর্শনের জন্য নির্বাচনের আগের রাতেই বোমা বিস্ফোরণ ও বিভিন্ন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর ছক কষছে।
প্রশাসনের ভূমিকা: এই ধরনের বিশৃঙ্খলা রুখতে তিনি স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও কড়া নজরদারি দাবি করেছেন।
“ভোটের মালিক জনগণ, নেতা নয়”
নেতানির্ভর রাজনীতির বিপরীতে সাধারণ মানুষের শক্তির ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বেশ কিছু কড়া মন্তব্য করেন:
“ভোটের মালিক কোনো নেতা নয়, ভোটের মালিক সাধারণ জনগণ। আপনারা দেখছেন অন্যান্য প্রার্থীরা নেতাদের নিয়ে চলে, আর আমার পাশে আছে সাধারণ মানুষ। এই সাধারণ মানুষই আমার শক্তির উৎস।”
জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ
কলস প্রতীকের এই স্বতন্ত্র প্রার্থী তার জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আত্মবিশ্বাসী। তার মতে:
যদি নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়, তবে তার বিজয় নিশ্চিত।
সাধারণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই তাকে বিজয়ী করবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
মাদারীপুর-২ আসনের এই হেভিওয়েট লড়াইয়ে মিল্টন বৈদ্যের এমন অভিযোগ স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, তার এই আশঙ্কার প্রেক্ষিতে প্রশাসন কী ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

Reporter Name 


