ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নরসিংদীতে কিশোরী হত্যা: মূল পরিকল্পনাকারী নূরাসহ গ্রেফতার আরও ২ বাজার বিশ্লেষন: রমজানের দ্বিতীয় সপ্তাহে স্বস্তির আভাস, নিম্নমুখী আলু-পেঁয়াজ ও পোল্ট্রির দাম দক্ষিণ এশিয়ায় রণডঙ্কা: আফগান-পাক সীমান্তে ভয়াবহ যুদ্ধ, বাড়ছে প্রাণহানি জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি: দেশের বাজারে ভেজাল খাদ্যের ভয়াবহ বিস্তার মাদারীপুরে পাওনাদারের চাপে আত্মহত্যার নাটক? সোহেল বেপারীর মরদেহ উদ্ধার ও পরিবারের বিক্ষোভ স্বভাব পরিবর্তন না হলে স্থানীয় নির্বাচনেও জনগণ ব্যালটে জবাব দেবে: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর মাদারীপুরে চোরাই স্বর্ণসহ যুবক আটক: অসাধু ব্যবসায়ীদের সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ মাদারীপুরের রাজৈরে ১৮ মাস পর আওয়ামী লীগ অফিসের গেটে জাতীয় পতাকা: এলাকায় চাঞ্চল্য মাদারীপুরে অবৈধ ইটভাটায় প্রশাসনের হানা: ৪ লক্ষ টাকা জরিমানা ও স’মিল উচ্ছেদ মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে রণক্ষেত্র পেয়ারপুর: আহত ৪, দোকান ও বসতঘরে লুটপাট-অগ্নিসংযোগ
নোটিশ :
প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, এছাড়াও যেকোনো বিজ্ঞাপন প্রচার করতে যোগাযোগ করুন হোয়াটসঅ্যাপ ০১৭১৭০২৮৩০৩

জনপ্রশাসনে বড় পরিবর্তনের রূপরেখা (২০২৬)

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:৫১:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে


জনপ্রশাসনে বড় পরিবর্তনের রূপরেখা (২০২৬)

১. সরকারের মূল দর্শন: ‘মেরিটোক্রেসির বাংলাদেশ’

নবনির্বাচিত সরকার তাদের নির্বাচনী ইশতাহার অনুযায়ী মেধাভিত্তিক প্রশাসন গড়তে চায়। এর মূল লক্ষ্য হলো:

  • চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কমিয়ে নিয়মিত কর্মকর্তাদের প্রাধান্য দেওয়া।

  • নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে রাজনৈতিক বিবেচনার বদলে যোগ্যতাকে মানদণ্ড করা।

২. রদবদলের সময়সীমা

বর্তমানে রমজান মাস চলায় প্রশাসনে স্থিতাবস্থা বজায় রাখা হচ্ছে। তবে ঈদুল ফিতরের পরপরই বড় ধরনের রদবদল এবং চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

৩. গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তাদের তালিকা (বর্তমানে কর্মরত)

বর্তমানে অন্তত ১৮ জন সিনিয়র সচিব/সচিব চুক্তিভিত্তিক দায়িত্বে আছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন:

নাম পদবী ও দপ্তর
ড. নাসিমুল গনি মন্ত্রিপরিষদ সচিব
মো. এহছানুল হক সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
মো. মোখলেস উর রহমান সদস্য (সিনিয়র সচিব), পরিকল্পনা কমিশন
আখতার আহমেদ সিনিয়র সচিব, নির্বাচন কমিশন
বাহারুল আলম আইজিপি (পুলিশ প্রধান) – পদত্যাগের গুঞ্জন রয়েছে

৪. প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ ও বিশৃঙ্খলা

প্রতিবেদনে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের কিছু প্রশাসনিক দুর্বলতা উঠে এসেছে:

  • সমন্বয়হীনতা: নিয়মিত কর্মকর্তাদের সাথে চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তাদের দূরত্বের কারণে কাজে স্থবিরতা দেখা দিয়েছিল।

  • হতাশা: পদোন্নতি প্রত্যাশী নিয়মিত কর্মকর্তাদের মধ্যে কাজের স্পৃহা কমে যাওয়া।

  • ব্যতিক্রম বনাম চর্চা: বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কেবল বিশেষ মেধার (যেমন: আকবর আলি খান) ক্ষেত্রে হওয়া উচিত, যা এখন সাধারণ চর্চায় পরিণত হয়েছে।

  • জনপ্রশাসনে বড় পরিবর্তনের রূপরেখা (২০২৬)

    ১. সরকারের মূল দর্শন: ‘মেরিটোক্রেসির বাংলাদেশ’

    নবনির্বাচিত সরকার তাদের নির্বাচনী ইশতাহার অনুযায়ী মেধাভিত্তিক প্রশাসন গড়তে চায়। এর মূল লক্ষ্য হলো:

    • চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কমিয়ে নিয়মিত কর্মকর্তাদের প্রাধান্য দেওয়া।

    • নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে রাজনৈতিক বিবেচনার বদলে যোগ্যতাকে মানদণ্ড করা।

    ২. রদবদলের সময়সীমা

    বর্তমানে রমজান মাস চলায় প্রশাসনে স্থিতাবস্থা বজায় রাখা হচ্ছে। তবে ঈদুল ফিতরের পরপরই বড় ধরনের রদবদল এবং চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

    ৩. গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তাদের তালিকা (বর্তমানে কর্মরত)

    বর্তমানে অন্তত ১৮ জন সিনিয়র সচিব/সচিব চুক্তিভিত্তিক দায়িত্বে আছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন:

    নাম পদবী ও দপ্তর
    ড. নাসিমুল গনি মন্ত্রিপরিষদ সচিব
    মো. এহছানুল হক সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
    মো. মোখলেস উর রহমান সদস্য (সিনিয়র সচিব), পরিকল্পনা কমিশন
    আখতার আহমেদ সিনিয়র সচিব, নির্বাচন কমিশন
    বাহারুল আলম আইজিপি (পুলিশ প্রধান) – পদত্যাগের গুঞ্জন রয়েছে

    ৪. প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ ও বিশৃঙ্খলা

    প্রতিবেদনে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের কিছু প্রশাসনিক দুর্বলতা উঠে এসেছে:

    • সমন্বয়হীনতা: নিয়মিত কর্মকর্তাদের সাথে চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তাদের দূরত্বের কারণে কাজে স্থবিরতা দেখা দিয়েছিল।

    • হতাশা: পদোন্নতি প্রত্যাশী নিয়মিত কর্মকর্তাদের মধ্যে কাজের স্পৃহা কমে যাওয়া।

    • ব্যতিক্রম বনাম চর্চা: বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কেবল বিশেষ মেধার (যেমন: আকবর আলি খান) ক্ষেত্রে হওয়া উচিত, যা এখন সাধারণ চর্চায় পরিণত হয়েছে।


বিশেষজ্ঞ মতামত ও পর্যবেক্ষণ

সাবেক সচিব একেএম আবদুল আউয়াল মজুমদার এবং জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ফিরোজ মিয়া উভয়েই একমত যে, ঢালাও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রশাসনের চেইন অফ কমান্ড নষ্ট করে এবং কর্মকর্তাদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী হতাশা তৈরি করে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নরসিংদীতে কিশোরী হত্যা: মূল পরিকল্পনাকারী নূরাসহ গ্রেফতার আরও ২

জনপ্রশাসনে বড় পরিবর্তনের রূপরেখা (২০২৬)

আপডেট সময় ১১:৫১:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


জনপ্রশাসনে বড় পরিবর্তনের রূপরেখা (২০২৬)

১. সরকারের মূল দর্শন: ‘মেরিটোক্রেসির বাংলাদেশ’

নবনির্বাচিত সরকার তাদের নির্বাচনী ইশতাহার অনুযায়ী মেধাভিত্তিক প্রশাসন গড়তে চায়। এর মূল লক্ষ্য হলো:

  • চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কমিয়ে নিয়মিত কর্মকর্তাদের প্রাধান্য দেওয়া।

  • নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে রাজনৈতিক বিবেচনার বদলে যোগ্যতাকে মানদণ্ড করা।

২. রদবদলের সময়সীমা

বর্তমানে রমজান মাস চলায় প্রশাসনে স্থিতাবস্থা বজায় রাখা হচ্ছে। তবে ঈদুল ফিতরের পরপরই বড় ধরনের রদবদল এবং চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

৩. গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তাদের তালিকা (বর্তমানে কর্মরত)

বর্তমানে অন্তত ১৮ জন সিনিয়র সচিব/সচিব চুক্তিভিত্তিক দায়িত্বে আছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন:

নাম পদবী ও দপ্তর
ড. নাসিমুল গনি মন্ত্রিপরিষদ সচিব
মো. এহছানুল হক সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
মো. মোখলেস উর রহমান সদস্য (সিনিয়র সচিব), পরিকল্পনা কমিশন
আখতার আহমেদ সিনিয়র সচিব, নির্বাচন কমিশন
বাহারুল আলম আইজিপি (পুলিশ প্রধান) – পদত্যাগের গুঞ্জন রয়েছে

৪. প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ ও বিশৃঙ্খলা

প্রতিবেদনে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের কিছু প্রশাসনিক দুর্বলতা উঠে এসেছে:

  • সমন্বয়হীনতা: নিয়মিত কর্মকর্তাদের সাথে চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তাদের দূরত্বের কারণে কাজে স্থবিরতা দেখা দিয়েছিল।

  • হতাশা: পদোন্নতি প্রত্যাশী নিয়মিত কর্মকর্তাদের মধ্যে কাজের স্পৃহা কমে যাওয়া।

  • ব্যতিক্রম বনাম চর্চা: বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কেবল বিশেষ মেধার (যেমন: আকবর আলি খান) ক্ষেত্রে হওয়া উচিত, যা এখন সাধারণ চর্চায় পরিণত হয়েছে।

  • জনপ্রশাসনে বড় পরিবর্তনের রূপরেখা (২০২৬)

    ১. সরকারের মূল দর্শন: ‘মেরিটোক্রেসির বাংলাদেশ’

    নবনির্বাচিত সরকার তাদের নির্বাচনী ইশতাহার অনুযায়ী মেধাভিত্তিক প্রশাসন গড়তে চায়। এর মূল লক্ষ্য হলো:

    • চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কমিয়ে নিয়মিত কর্মকর্তাদের প্রাধান্য দেওয়া।

    • নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে রাজনৈতিক বিবেচনার বদলে যোগ্যতাকে মানদণ্ড করা।

    ২. রদবদলের সময়সীমা

    বর্তমানে রমজান মাস চলায় প্রশাসনে স্থিতাবস্থা বজায় রাখা হচ্ছে। তবে ঈদুল ফিতরের পরপরই বড় ধরনের রদবদল এবং চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

    ৩. গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তাদের তালিকা (বর্তমানে কর্মরত)

    বর্তমানে অন্তত ১৮ জন সিনিয়র সচিব/সচিব চুক্তিভিত্তিক দায়িত্বে আছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন:

    নাম পদবী ও দপ্তর
    ড. নাসিমুল গনি মন্ত্রিপরিষদ সচিব
    মো. এহছানুল হক সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
    মো. মোখলেস উর রহমান সদস্য (সিনিয়র সচিব), পরিকল্পনা কমিশন
    আখতার আহমেদ সিনিয়র সচিব, নির্বাচন কমিশন
    বাহারুল আলম আইজিপি (পুলিশ প্রধান) – পদত্যাগের গুঞ্জন রয়েছে

    ৪. প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ ও বিশৃঙ্খলা

    প্রতিবেদনে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের কিছু প্রশাসনিক দুর্বলতা উঠে এসেছে:

    • সমন্বয়হীনতা: নিয়মিত কর্মকর্তাদের সাথে চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তাদের দূরত্বের কারণে কাজে স্থবিরতা দেখা দিয়েছিল।

    • হতাশা: পদোন্নতি প্রত্যাশী নিয়মিত কর্মকর্তাদের মধ্যে কাজের স্পৃহা কমে যাওয়া।

    • ব্যতিক্রম বনাম চর্চা: বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কেবল বিশেষ মেধার (যেমন: আকবর আলি খান) ক্ষেত্রে হওয়া উচিত, যা এখন সাধারণ চর্চায় পরিণত হয়েছে।


বিশেষজ্ঞ মতামত ও পর্যবেক্ষণ

সাবেক সচিব একেএম আবদুল আউয়াল মজুমদার এবং জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ফিরোজ মিয়া উভয়েই একমত যে, ঢালাও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রশাসনের চেইন অফ কমান্ড নষ্ট করে এবং কর্মকর্তাদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী হতাশা তৈরি করে।