মাদারীপুর রাস্তি ইউনিয়ন পরিষদ সম্মুখ এলাকায় আধিপত্য নিয়ে স্থানীয় বেপারী ও হাওলাদার দুই গ্রুপে সংঘর্ষ,একাধিক বোমা বিস্ফোরণ,বোমায় গুরুতর ভাবে আহত
১। রোকন হাওলাদার (৩৫), পিতা-মৃত আজিজ হাওলাদার, সাং-পশ্চিম রাস্তি, ইউনিয়ন-রাস্তি, থানা-মাদারীপুর সদর, জেলা-মাদারীপুর।
২। সেলিম হাওলাদার(২৬), পিতা-সিদ্দিক হাওলাদার, সাং-পশ্চিম রাস্তি, ইউনিয়ন-রাস্তি, থানা-মাদারীপুর সদর, জেলা-মাদারীপুর।
আহতরা মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভর্তি আছেন।
মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: বোমা বিস্ফোরণে আহত ২
নিজস্ব প্রতিবেদক, মাদারীপুর | মাদারীপুর সদর উপজেলার রাস্তি ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুটি পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে বোমার আঘাতে দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ: স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে রাস্তি ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় স্থানীয় বেপারী বংশ ও হাওলাদার বংশের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। আজ সেই বিরোধের জেরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষ চলাকালীন এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশ কয়েকটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। বোমার বিকট শব্দে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
আহতদের পরিচয়: বোমা বিস্ফোরণে হাওলাদার পক্ষের দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তারা হলেন: ১. রোকন হাওলাদার (৩৫), পিতা- মৃত আজিজ হাওলাদার। ২. সেলিম হাওলাদার (২৬), পিতা- সিদ্দিক হাওলাদার। উভয়ই পশ্চিম রাস্তি এলাকার বাসিন্দা।
বর্তমান অবস্থা: আহতদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে দ্রুত মাদারীপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহতদের শরীরে বোমার স্প্লিন্টারের গভীর ক্ষত রয়েছে এবং তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
পুলিশের বক্তব্য: খবর পেয়ে মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি।
See less

Reporter Name 


