
প্রত্যাবাসিত অভিবাসীদের মধ্যে ৫৫ জন ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন এবং অবশিষ্ট ৮৯ জন বিপদগ্রস্ত অবস্থায় মিসরাতা ও ত্রিপলী হতে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে গেছেন। তাদের মধ্যে ০৬ জন অভিবাসী শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। প্রত্যাবাসিত অভিবাসীরা লিবিয়ার বুরাক এয়ারের UZ222 ফ্লাইটযোগে ২৭ মার্চ ২০২৫ তারিখে সকাল ০৮:০০ ঘটিকায় ঢাকায় পৌঁছান।মান্যবর রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মুহাম্মদ খায়রুল বাশার তাজুরা আটক ডিটেনশন অভিবাসীদেরকে লিবিয়ার অভিবাসন অধিদপ্তরের অভ্যর্থনা কেন্দ্রে বিদায় জানান। এসময় দূতাবাসের মিনিস্টার (রাজনৈতিক) উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও মিসরাতা থেকে প্রত্যাবাসিত প্রবাসীদেরকে প্রথম সচিব (শ্রম) এর নেতৃত্বে দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল মিসরাতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদায় জানান। এ সময় তাদের নিরাপদে দেশে প্রত্যাবর্তনের জন্য দূতাবাসের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ ও প্রচেষ্টা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে অবহিত করা হয়।
মান্যবর রাষ্ট্রদূত আটক অভিবাসীদের অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি ও এর নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য কাজ করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে, দেশে ফিরে পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতেও তিনি তাদের পরামর্শ দেন। এছাড়া তিনি ফ্লাইটটি যথাসময়ে পরিচালনায় সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্য লিবিয়ার অভিবাসন অধিদপ্তর (ডিসিআইএম), সংশ্লিষ্ট স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং আইওএম-এর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Murad Howlader 