

সরকার আরোপিত হোল্ডিং ট্যাক্স গুনতে হচ্ছে ত্রিশ বছর পরে এসে বাজিতপুর ইউনিয়নের লোকদের। বিষয়টি জনসাধারণ মনে সংকোচ ও উৎকন্ঠা তৈরি করছে। আওয়ামী সরকার পতনের পর থেকে মাদারীপুরে ইউনিয়ন জনপ্রতিনিধিরা বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমার চাপে উৎকন্ঠিত। ঠিক ইউনিয়ন পরিচালনায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দ্বারা পরিচালিত বাজিতপুর ইউনিয়ন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা সরদার এ কথা জানিয়েছেন যে আগে সরকার আরোপিত হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করে দিত স্থানীয় চেয়ারম্যান। তার ভাষ্যমতে তারা এই হোল্ডিং ট্যাক্স যাতে না নেয়া হয় এই বিষয়ে ভেটো প্রদান করে। তবে তাদের এই ভেটো শেষ মূহুর্তে কোন কাজে আসেনি।
যখন ট্যাক্স কর্মকর্তাকে তার ট্যাক্স উঠানোর বিষয়ে কার আদেশ এ ট্রাক্স উঠাচ্ছে। তখন তিনি সঠিক তথ্য প্রদান করতে পারেনি।কখনো বলছেন ইউনিয়ন সচিবের আদেশ এ তিনি ট্যাক্স তুলছেন। আবার ট্রেন্ডারের মাধ্যমে ট্যাক্স উঠানোর বিষয়ে ও বলেছেন।
পরে স্থানীয় বাজিতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল হালিম ফকিরের সাথে যোগাযোগ করলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।এরপর তার ছেলে সোহাগ ফকিরের সাথে যোগাযোগ করলেও প্রথমে এই বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে।এরপর যোগাযোগ করলে তিনি বলে সরকার আরোপিত হোল্ডিং ট্যাক্স দিতে হবে এটা সরকারি বিধান বলে তিনি জানান। এই বিষয়ে বাজিতপুর ইউনিয়নের জনমনে একধরনের প্রশ্ন কেন ত্রিশ বছর পর জনপ্রতি ৩০০ টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স গুনতে হবে তাদের।আবার বৃহৎ বিল্ডিং আবাসিক ভবনে অতিরিক্ত ট্যাক্সের বিষয়টিও নজরে আসছে সবার।

Murad Howlader 